Widget by:Baiozid khan
  • Advertisement

বিএনপির দাবি নিয়ে বললেন ওবায়দুল কাদের

Published:2018-09-30 21:22:09    

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচন করবে নির্বাচন কমিশন। হয়তো, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তফসিল ঘোষণা করা হবে। সে দিক দিয়ে হিসেব করলে সময় এক মাসের চাইতে দুই-একদিন বেশি। এসময় বিএনপির নির্বাচনকালীন নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকার গঠনের দাবি অযৌক্তিক। তাদের দাবি হওয়া উচিত নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের, নিরপেক্ষ সরকারের নয়।

রোববার সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি বা এর সহযোগীরা ঐক্য প্রক্রিয়া বা ঐক্য ফ্রন্ট যে দাবিই করুক না কেন, সে অনুযায়ী সরকার গঠন সংবিধান সম্মত হবে না। তারা যে দাবি করছে সেটা করতে হলে সংবিধান সংশোধন করতে হবে। তফসিল ঘোষণার আর এক মাস বাকি আছে। এই সময়ে তো সংবিধান পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় নির্বাচনকালীন সরকারের কোনো কাজ থাকবে না। তারা শুধু রুটিন মাফিক কাজ করবে। নির্বাচন পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন। সেখানে সরকারের কোনো হাত নেই। তখন সরকারের ক্ষমতা সীমিত হয়ে যাবে। বিএনপির দরকার হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা। আর নির্বাচন কমিশনতো নিরপেক্ষই আছে।

সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশ তো অশান্ত নয়। তবে বিএনপি ও তার সহযোগীরা অশান্তির উস্কানি দিচ্ছে। দেশে কী এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে যে দেশে এখন বিশেষ সরকারের প্রয়োজন পড়েছে? তিনি বলেন, অক্টোবরের মাঝামাঝি অথবা শেষ সপ্তাহে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করা হবে।

বিএনপি যদি নির্বাচনে না আসে তবে তাদেরকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করানোর জন্য বিশেষ কোনো পদক্ষেপ সরকার নেবে কি-না এমন এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, এটা কি আমার বাড়ির মেজবান যে আমি তাদের দাওয়াত দিয়ে আনবো! নির্বাচনে অংশগ্রহণ করাতো বিএনপির গণতান্ত্রিক অধিকার। সেটিকে তারা দয়ার দান ভাবছে কেন।

তিনি বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচন যদি বিশ্ববাসীর কাছে গ্রহণযোগ্য না হত তাহলে এদেশে আইপিইউ এবং সিপিএর বর্ণাঢ্য কনফারেন্স হলো কি করে! বিশ্বের এত এত স্পিকার, এত এত ডেপুটি স্পিকার দেশে এসেছিল, তারা কি কোনো প্রশ্ন তুলেছিল যে এই দেশের নির্বাচন গ্রহণযোগ্য না কিংবা আমি এখানে কনফারেন্সে অংশ নেব না, এমন কিছু কি ঘটেছিল? এমন কিছু কি শুনেছেন? এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বির অভাব হবে না।

রাজনীতির মাঠ আবার উত্তপ্ত হচ্ছে কি-না জানতে চাইলে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, মাঠ উত্তপ্ত হবে কেন? আমরা তো পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি দেইনি। আমরা দিয়েছি নিরীহ কর্মসূচি। আমাদের কর্মসূচি হচ্ছে ভোট চেয়ে লিফলেট বিতরণ।

আরো পড়ুন : জাতীয় ঐক্যের ফলাফল শূন্য : অর্থমন্ত্রী
সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৭:৩১

জাতীয় ঐক্যের ফল শূন্য বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেছেন,‘এর ফল শূন্য। এসব দিয়ে কিছুই হবে না।’ বিএনপির মতো একটি বড় দলকে নির্বাচনে আনার বিষয়ে সরকারের কোনো বিশেষ উদ্যোগ আছে কী-না জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন,‘কোনো বিশেষ উদ্যোগ নেই। বিএনপি এক সময় বড় দল ছিল। এখন আছে কি-না আমার সন্দেহ আছে।’ 

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় বাংলাদেশ ফিমেইল একাডেমি আয়োজিত এক ‘নারীর শিক্ষা ও ক্ষমতায়ন’ শীর্ষক এক সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন। 

রোববার দুপুরে বাংলাদেশ ফিমেইল একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত এই সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। 

নির্বাচনকারী সরকারে কারা থাকবেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জাতীয় সংসদে যাদের প্রতিনিধিত্ব আছে তারাই নির্বাচনকালীন সরকারে থাকবে। অন্য কেউ থাকবে না। 

২০১৪ সালে যে প্রক্রিয়ায় দেশে নির্বাচন হয়েছে, সেভাবেই এই দেশে নির্বাচন হবে। কাউকে নির্বাচনে আনতে বিশেষ কোন চিন্তা নেই। নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরীক্ষা এই দেশে হয়ে গেছে। তাই যথা সময়েই নির্বাচন হবে।’ 

বাংলাদেশ ফিমেইল একাডেমির দাতা সদস্য ও সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদুস সামাদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি এ কে আবদুল মোমেন, সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচলানক বিগ্রেডিয়ার মাহবুবুল হক,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ এমরান হোসেন,পুলিশ সুপার মোঃ বরকতুল্লাহ খান,দিরাই থানার ওসি মোঃ মোস্তফা কামলা প্রমুখ।

আরও সংবাদ