Widget by:Baiozid khan
  • Advertisement

তরুণ শিক্ষার্থীরাই সমাজ পরিবর্তনের দূত:স্পীকার

Published:2018-10-30 18:01:19    

বিশেষ প্রতিবেদক:  জাতীয় সংসদের স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি বলেছেন, তরুণ শিক্ষার্থীরাই সমাজ পরিবর্তনের দূত। তরুণরাই ইতিবাচক পরির্তন এনে গড়ে তুলবে সমৃদ্ধশালী ভবিষ্যত বাংলাদেশ। সে কারণে শিক্ষার্থীদেরকে শিক্ষা জীবনে সচেষ্ট থেকে জ্ঞান নির্ভর শিক্ষা গ্রহণের আহবান জানান তিনি।
      তিনি আজ ঢাকার ধানমন্ডিতে ইউনিভারসিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ এর ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

         স্পীকার বলেন, তরুণ প্রজন্ম ভবিষ্যতে নেতৃত্ব দিবে। উদ্ভাবনী কৌশল এবং গবেষণা কর্মের মাধ্যমে বিশ্বকে গড়ে তুলতে হবে। বর্তমান বিশ্বের প্রত্যেক নাগরিক তথ্য-প্রযুক্তি এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত।  এ সময় তরুণ প্রজন্মকে বিশ্বে নেতৃত্ব দিতে তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষায় শিক্ষিত হতে সকলের প্রতি তিনি আহবান জানান।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, বিশ্বে বাংলাদেশ আজ দ্রুত অগ্রসরমান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বর্তমান সরকার তৃণমূলে সকল সুবিধা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিগত দশ বছরে দারিদ্রের হার ৪০শতাংশ থেকে ২২শতাংশে নেমে এসেছে, মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যু হ্রাস, বাল্যবিবাহপ্রতিরোধ, বয়স্ক ও বিধবা ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রদান করছে। রপ্তানী আয়, রিজার্ভ ও রেমিট্যান্সসহ সামাজিক ও অর্থনৈতিক সকল সূচকে বাংলাদেশের অবস্থানআজ সুদৃঢ়। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়শীল দেশে উন্নীত হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। বাংলাদেশ ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে, ২০২৪সালের মধ্যে পরিপূর্ণ উন্নয়নশীল দেশে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

স্পীকার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে জ্ঞান কেন্দ্র। সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদেরকে সহনশীল পর্যায়ে খরচের মধ্যে পড়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ করেন। এ সময় তিনি মৌলিক শিক্ষার পাশাপাশি বিশেষায়িত শিক্ষার উপর গুরুত্বারোপ করেন। শিক্ষার্থীদেরকে গুণগত উচ্চশিক্ষা প্রদান করায় ইউল্যাব বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশংসা করেন তিনি। শিক্ষার্থীদের জন্য ইউল্যাব বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা প্রদান বিষয়টিও অনুসরণযোগ্য বলে স্পীকার উল্লেখ করেন।

                   তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তির মহাসড়কে অবস্থান করছে। অভ্যন্তরীন ও বৈশ্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজতর করতে নিরাপদ ইন্টারনেট সেবা তৃণমূল পর্যন্ত পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার। বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন অবকাঠামো নির্মাণ ও কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে- - যা নতুন প্রজন্মকে তথ্য প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তুলতে ভূমিকা রাখবে বলে তিনি উল্লেখ করেন । এ সময়ে স্পীকার ক্ষুধা, দারিদ্র ও বৈষম্যমুক্ত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্লের সোনার বাংলা গড়তে তরুণ শিক্ষার্থীদের  একযোগে কাজ করতে  আহবান জানান।

           অনুষ্ঠানে ইউল্যাব ইউনিভারসিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর এইচ এম জহিরুল হক এর সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ে পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন জাতীয় অধ্যাপক এ্যামিরেটাস প্রফেসর ড. রফিকুল ইসলাম এবং ইউল্যাব বোর্ড অব ট্রাস্টিজের ভাইস-প্রেসিডেন্ট ড. কাজী আনিস আহমেদ।

অনুষ্ঠানে শুরুতে ইউল্যাব বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪বছরের বিভিন্ন কর্মকান্ডের উপর একটি প্রামাণ্য চিত্র উপস্থাপন করা হয়। 

এ সময়ে স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী কেক কেটে ইউনিভারসিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ এর ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভ উদ্বোধন করেন।

আরও সংবাদ