Widget by:Baiozid khan
  • Advertisement

সকল রিক্রুটিং এজেন্সিই মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে পারবে।

Published:2018-10-31 19:03:55    

নিজস্ব প্রতিবেদক

কোন সিন্ডিকেট নয়, এখন থেকে মালয়েশিয়ায় সকল রিক্রুটিং এজেন্সিই কর্মী পাঠাতে পারবে। সবার জন্য মালয়েশিয়া কর্মী পাঠানোর বিষয়টি ওপেন করা দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব বেগম রৌনক জাহান।

বুধবার প্রবাসীকল্যাণ ভবনে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সচিব।

এক প্রশ্নের জবাবে রৌনক জাহান বলেন, মালয়েশিয়ায় এখন থেকে সব রিক্রুটিং এজেন্সি কর্মী পাঠাতে পারবে। এটা সবার জন্য ওপেন করা হয়েছে।

আগের মতো সিন্ডিকেট হয়ে কর্মী যাবে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, ‘সেটা থেকে বের হওয়ার জন্যই আমরা আলোচনা করেছি। সবার জন্য এটা অপেন করে দেয়া হবে। সবাই কর্মী পাঠাতে পারবে।’

অভিযোগ নতুন করে সিন্ডিকেট হচ্ছে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এরকম কিছুই হচ্ছে না। আপনারা যেটা শুনেছেন সেটা ঠিক না। তবে আমরা চেষ্টা করছি একটা সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় আমরা যেন যেতে পারি। বাংলাদেশের জন্য এটা একটা খুবই প্রয়োজনীয় বিষয়। একটা হচ্ছে কষ্ট কমানো, আরেকটি হচ্ছে ইউনিফাইড সিস্টেম- এই দুটি বিষয়ে আমরা ঐক্যমতে পৌঁছেছি।’

এবার মালয়েশিয়া থেকে সিন্ডিকেটের কোন চাপ আছে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে প্রবাসীকল্যাণ সচিব বলেন, ‘এরকম কোন চাপ নেই। বরং মালয়েশিয়ায় সরকার পরিবর্তন হওয়ায় তারা একটি স্বচ্ছ সিস্টেম চাচ্ছে, আমরাও সেটা চাচ্ছি। সেটাই হচ্ছে। এবিষয়ে আমরা কাজ করছি।’

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা একটা বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য দুইপক্ষই কাজ করছি।’

সচিব বলেন, ‘এটা আমাদের দ্বিতীয় ওয়ার্কিং কমিটির সভা। গতমাসে এটি হয়েছে। দ্রুত আরেকটি হল। উদ্দেশ্যটাই হচ্ছে যতো তাড়াতাড়ি কর্মী সেখানে (মালয়েশিয়া) পাঠানো। এ বিষয়ে আজকে খুবই সুন্দর আলোচনা হয়েছে। আপনারা হয়তো বুঝতে পেরেছেন। এখন আলোচনা করে যতো দ্রুত এটা শেষ করে আমরা কর্মী পাঠাতে পারবো।

কবে থেকে কর্মী মালয়েশিয়ায় যাবে? এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, ‘কবে থেকে যাবে সেটা সুনির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। আমাদের এখন তাড়াহুড়া যতো দ্রুত সম্ভব। তাদেরও প্রয়োজন, আমাদেরও প্রয়োজন। সেজন্য এটা। আপনারা দেখেছেন এতো তাড়াতাড়ি এতো মিটিং হয় না। যেটা আমরা করেছি।

কোন কোন পয়েন্টে আপনারা ঐক্যমত হয়েছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সুখবর হচ্ছে কষ্ট কামানোর বিষয়ে আমরা ঐক্যমতে পৌঁছেছি। কত সেটা আমরা এখন বলবো না। পরে বলবো। আজকে এমওইউ হয়েছে।’

ভিসা সত্যায়ন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা আমাদের আইনি বাধ্যবাধকতা আছে। সেজন্য ভিসা সত্যায়ন করতে হবে। তারা সেটা মেনে নিয়েছে।’

 

আরও সংবাদ