Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Sun September 23 2018 ,

ঝালকাঠি জেলা পরিষদের টেন্ডার

Published:2013-05-14 15:54:07    

ঝালকাঠি প্রতিনিধি : ঝালকাঠি জেলা পরিষদের ১০টি গ্রুপ কাজের সিডিউল বিক্রি বন্ধ করে ২৭ লাখ টাকার কাজ গুচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাগিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।  
    
অভিযোগ পাওয়া গেছে, স্মারন নং ঝা:জে:প:/ ২০১২-১৮৭, নোটিশ নং দরপত্র বিজ্ঞপ্তি নং-০২/২০১২-২০১৩ অর্থ বছরের এ কাজ আওয়ামীলীগের দলীয় কাজে ব্যবহারের ঘোষনা দিয়ে প্রকাশ্যে গুছিয়ে নেয়া হয়েছে।  
     
সাধারন ঠিকাদাররা অভিযোগে জানায়, দরপত্র বিজ্ঞপ্তি নং-০২/২০১২-২০১৩-তে জেলা পরিষদের আওতায় ১’শ গ্রুপের দরপত্র আহবান করে।
ক্ষমতাশীন দল আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী নেতারা এর মধ্য থেকে বাছাই করে প্রধান ১০ গ্রুপ কাজের সিডিউল সাধারন ঠিকাদারদের কাছে বিক্রি না করে শুধুমাত্র নির্ধারিত ঠিকাদারের কাছে বিক্রী করে।
    
নিয়মানুযায়ী উক্ত কাজের মধ্যে ৯০ গ্রুপের কাজের সিডিউল বাহিরের দপ্তর গুলোতে পঠানো হলেও উক্ত ১০ গ্রুপের সিডিউল বিক্রীর জন্য অন্য কোন দপ্তরে পাঠানো হয়নি।
   
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঠিকাদাররা জানায়, গুচ্ছ হওয়া ৪, ২১, ২৫, ২৬, ২৭, ৯৫, ৯৬, ৯৭, ৯৮ ও ৯৯ প্রকল্পগুলি লাভজনক হওয়ায় ঐ ১০ গ্রুপের সিডিউল কিনতে গিয়ে তারা পায়নি।
   
৮ এপ্রিল এ গ্রুপগুলোর সিডিউল বিক্রীর ও ১০ এপ্রিল টেন্ডার লটারী সম্পন্ন জন্য নির্ধারিত ছিল।

আওয়ামীলীগ নেতা-কর্মিরা জানিয়েছে, ঐ কাজগুলোর লাভের টাকা দলীয় অফিস কাজে ব্যয় হবে। এজন্য সর্বস্বীকৃতভাবে এ সিদ্ধন্ত নেয়া হয়েছে। বাকি ৯০ গ্রুপ টেন্ডার কাজে সকল ঠিকাদার প্রতিযোগীতা মূলকভাবে অংশ নিয়েছেন।
    
এ ব্যপারে ঝালকাঠি জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক জামালা হোসেন মিঠু জানান, গুচ্ছ হওয়া গ্রুপের কাজের লাভের টাকা দলীয় কাজে ব্যয় হবে।
    
এ ব্যপারে জেলা যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক পৌর কাউন্সিলর রেজাউল করিম জাকির জানান, জেলা পরিষদের প্রশাসকের সাফাই গেয়ে বলেন, তিনি ভালো মানুষ। তিনি কোন সিদ্ধান্ত নিলে তা দলেরই সিদ্ধান্ত।
   
এ ব্যপারে জেলা পরিষদ প্রশাসক জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি সরদার মো. শাহ আলম টেন্ডার গুছের কথা অস্বীকার করে জানান, সরকারী বিধি মোতোবেক টেন্ডার কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

 
বাংলাসংবাদ২৪/আজমীর হোসেন/একে কাব্য/নূর