Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Sun September 23 2018 ,

মুক্তিযুদ্ধে মিরপুর শত্রু মুক্ত হয় ৩১শে জানুয়ারি

Published:2013-05-18 20:00:01    

ঢাকা: দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ করার পর পাকিস্তানি বাহিনী ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আত্মসমর্পণ করলেও মিরপুর শত্রু মুক্ত হয় ১৯৭২ সালের ৩১ জানুয়ারি। তাই ৩১ জানুয়ারি ‘মিরপুর মুক্ত দিবস’ পালন করে মিরপুরবাসী। এই দিনকে ঘিরে নানা আয়োজন করা হয় মিরপুরে। সে সবে উঠে আসে ১৯৭১ ও ১৯৭২ সালে মিরপুরের মুক্তিযুদ্ধের শোক আর গৌরবের নানা স্মৃতি।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের পরেও পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর একটি অংশ, অবাঙালিরা মিরপুরে অপতৎপরতা চালাতে থাকে। অনেকটা অবরুদ্ধ থাকে মিরপুর। অবরুদ্ধ মিরপুরকে মুক্ত করতে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী, পুলিশসহ স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা কয়েকবার অপারেশন পরিচালনা করেও ব্যর্থ হন। মুক্তিযুদ্ধকালে মোহাম্মদপুর ও মিরপুর থানার গেরিলা কমান্ডার (মামা গ্রুপ) ছিলেন শহীদুল হক (মামা)। মিরপুর মুক্ত করার কৌশল নির্ধারণের জন্য ১৯৭২ সালের ৬ জানুয়ারি দুই নম্বর সেক্টরের কমান্ডার শহীদ কর্নেল এ টি এম হায়দার বীর উত্তম ও শহীদুল হকের নেতৃত্বে একটি বৈঠক হয়। এ প্রসঙ্গে মিরপুরের ১০টি বধ্যভূমি গ্রন্থে মিরাজ মিজু লিখেছেন, বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৯ ডিসেম্বর ১৯৭১ বিহারি কর্তৃক লুণ্ঠিত মালামাল বেচাকেনার বাজারটি (মিরপুর ৬ নম্বর সেকশন) গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

এরপর ২৯ জানুয়ারি শহীদুল হক মামার নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা একযোগে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেন। কিন্তু আত্মগোপনকারী পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, তাঁদের এ দেশীয় দোসর বিহারিদের কাছে থাকা প্রচুর পরিমাণ গোলাবারুদ ও ভারী অস্ত্রের কাছে শেষ পর্যন্ত পেরে ওঠেননি মুক্তিযোদ্ধারা। তবে ৩০ জানুয়ারি সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যদের যৌথ অভিযানে পরাজয় বরণ করে আত্মগোপনকারী পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও অবাঙালি ঘাতকেরা। পরিশেষে ৩১ জানুয়ারি মিরপুর ১২ নম্বর সেকশনের ডি ব্লকের মাঠে (বর্তমান ঈদগাহ মাঠ) আত্মসমর্পণ করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী।

বাংলাসংবাদ২৪/সাকিল আহমেদ
 

আরও সংবাদ