Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Wed September 26 2018 ,

পুঁজিবাজারে আশার আলো

Published:2013-05-23 03:13:42    

ঢাকা: পুঁজিবাজারে ধারাবাহিক দরপতনের কারনে বাজারবিমুখ সাধারণ ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারিরা ফিরতে শুরু করেছে।

ফলে বাজারে বাড়ছে সাধারণ মূল্যসূচক ও লেনদেন।

আসন্ন বাজেট এবং পুঁজিবাজারের জন্য পুণ:অর্থায়ন ইত্যাদি বিষয় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

এমন পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা যাতে পুনরায় নষ্ট না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে নীতি নির্ধারকদের কর্মপন্থা নির্ণয়ের পরামর্শ দিয়েছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আগামি অর্থবছরের বাজেটকে সামনে রেখে বাজেট সংক্রান্ত একাধিক আলোচনা করে ডিএসই। এরই মধ্যে চলতি মাসে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সঙ্গে দু’বার বৈঠক করেছে। এছাড়া অর্থমন্ত্রীর সঙ্গেও বৈঠক করে ডিএসই আগামি বাজেটে পুঁজিবাজারের জন্য প্রণোদনা রাখার প্রস্তাব করে।

অর্থমন্ত্রীও বাজেট পুঁজিবাজারবান্ধব হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন। এর সঙ্গে অর্থ মন্ত্রণালয় ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য পূর্বঘোষিত প্রণোদনা বাস্তবায়নে ১৩০০ কোটি টাকার পুণ:অর্থায়ন তহবিল দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সুপারিশ করেছে। একইসঙ্গে গত দুই সপ্তাহে রাজনৈতিক সহিংসতার প্রভাব পড়েছে বাজারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রবিবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫৩৮ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। যা ডিএসই’র ৫৭ কার্যদিবস বা ৩ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে ডিএসইতে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি সর্বোচ্চ লেনদেন হয়। ওই দিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ৫৪৩ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। এদিন অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) লেনদেন বেড়েছে। ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫২ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।

এদিন সাধারণ মূল্যসূচকও বেড়েছে উভয় বাজারে। ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স ৯৯ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৩৮৭৩ পয়েন্টে আর সাধারণ সূচক (পুরাতন) ৯৭ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৪০৭৯ পয়েন্টে। ডিএসই-তে মোট ২৮৪টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। এরমধ্যে দর বেড়েছে ২৩৫টির, কমেছে ৩৯টি আর অপরিবর্তিত রয়েছে ১০টি কোম্পানির শেয়ারের। সিএসইর সূচক ২৩৪ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৭৬৭৮ পয়েন্টে। সিএসই-তে মোট ২০৬টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৭১টির, কমেছে ২৪টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ১১টি কোম্পানির শেয়ারের।

সাধারণ বিানয়োগকারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বাজারের সূচক ও দৈনিক লেনদেনসহ শেয়ার দর বৃদ্ধি পাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের অনেকে নতুন করে বাজারমুখী হচ্ছেন। এছাড়া আসন্ন বাজেট পুঁজিবাজারবান্ধব হবে বলে বিনিয়োগকারীদের অনেকে মনে করছেন।

এর আগেও বাজারে একাধিকবার প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসার ইঙ্গিত লক্ষ্য করা গেলেও তা স্থায়ী হয়নি। নীতি নির্ধারকদের অপরিনামদর্শী সিদ্ধান্ত এবং কারসাজি চক্রের অশুভ পায়তারা ইতিপূর্বে একাধিকবার বিনিয়োগকারীদের সব আশা নষ্ট করে দিয়েছে। তাই এবার নীতি নির্ধারকদের নতুন করে কার্যকর কর্মপন্থা অবলম্বন করার পরামর্শ দেন বাজার বিশ্লেষকরা।


বাংলাসংবাদ২৪/এনডি/বিএইচ

আরও সংবাদ