Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Sat July 11 2020 ,

  • Techno Haat Free Domain Offer

আশুগঞ্জ বন্দর ব্যবহারের অনুমতি পেল ভারত

Published:2013-05-28 14:24:04    

বাংলাসংবাদ২৪ ডেস্ক: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ বন্দর ব্যবহার করে ভারতকে খাদ্যশস্য পরিবহনের এককালীন অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে এই প্রথম খাদ্যশস্য নিয়ে যাওয়ার অনুমতি পেল ভারত।  

এর ফলে কলকাতা থেকে আশুগঞ্জ বন্দর হয়ে সড়কপথে ভারত ১০ হাজার মেট্রিক টন খাদ্যশস্য ত্রিপুরা রাজ্যে নিয়ে যেতে পারবে। পরিবহনের অনুমতি পাওয়ায় খাদ্যশস্য কলকাতার হলদিয়া বন্দর থেকে জলপথে আশুগঞ্জে আসবে। এর পর সড়ক পথে ত্রিপুরা যাবে।

বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে এই প্রথম খাদ্যশস্য নিয়ে যাওয়ার অনুমতি পেল ভারত। এর আগে ত্রিপুরার একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য ভারী যন্ত্রপাতি আশুগঞ্জ দিয়ে পরিবহনের অনুমতি পেয়েছিল দেশটি।

ত্রিপুরার খাদ্যমন্ত্রী ভানুলাল সাহা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, আগামী মাসের মধ্যে ১০ হাজার মেট্রিক টন চাল ও গম আশুগঞ্জ বন্দর হয়ে ত্রিপুরায় যাবে। ভারতের খাদ্য নিগম বা এফসিআই এই পরিবহনের ব্যবস্থা করেছে।

তিনি আরো বলেন, দু’দেশের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের আলোচনার পরে এই অনুমতি পেয়েছি আমরা। এতে আমাদের বাড়তি কিছু সুবিধা হবে। আমাদের আশা, খাদ্যশস্য আনার এককালীন অনুমতি পাওয়া গেলেও পরবর্তীকালে বাংলাদেশ আশুগঞ্জ দিয়ে আবারও খাদ্যশস্য বা পণ্য পরিবহন করতে দেবে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমান বলেন, এটা এককালীন অনুমতি। নৌপরিবহন মন্ত্রীর সভাপতিত্বে সব মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে এক বৈঠকে এই নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে জাহাজ মালিকদের প্রতিনিধিও ছিলেন। কয়েকটি শর্তে এই এককালীন অনুমতি দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী সহযোগিতার ঘোষণা দেয়ার পরে আমরা সহযোগিতার ক্ষেত্র বেছে নিয়েছি। সেই অনুসারেই সহযোগিতা করা হচ্ছে।

মসিউর রহমান জানান, খাদ্যশস্য পরিবহনের ক্ষেত্রে নৌপথ ব্যবহারের জন্য প্রোটোকল অনুযায়ী সব নিয়মকানুন মানতে হবে ভারতকে। এছাড়া, রাস্তা ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভারী যন্ত্রপাতি নিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তার কোন ক্ষয়ক্ষতি হলে ভারতকে সেগুলি মেরামত করে দিতে হবে।

ভারত দীর্ঘদিন ধরে উত্তর পূর্বাঞ্চলে পণ্য পরিবহন করার জন্য বাংলাদেশের কাছে ট্রানজিটের অনুমতি চেয়ে আসছে। আপাতত, জলপথ অনুসরণের এককালীন অনুমতি পেলেও স্থল ও রেল পথ ব্যবহার করে সামগ্রিক ট্রানজিটের অনুমতি এখনো পায়নি ভারত।

প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের ২০১১ সালের ঢাকা সফরের সময়ে ট্রানজিট চুক্তি সই হয়ার কথা ছিল। কিন্তু তিস্তার পানিবন্টন চুক্তি এবং ছিটমহল বিনিময় চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য ভারতের পার্লামেন্ট অনুমতি না দেয়ায় বাংলাদেশ ভারতকে ট্রানজিট সুবিধা দিতে অস্বীকৃতি জানায়।

বাংলাসংবাদ২৪/এনএম

আরও সংবাদ