Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Fri March 22 2019 ,

  • Techno Haat Free Domain Offer

প্রসিকিউশন মুজাহিদের একটি অপরাধও প্রমাণ করতে পারে নাই

Published:2013-06-05 16:15:03    

ঢাকা: মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটক জামায়াতের সেক্রেটারী জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন একটি অপরাধও প্রমাণ করতে পারে নাই বলে দাবি করেছেন আসামীপক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার মুন্সী আহসান কবির।

আইনজীবী আরো বলেন, এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ১৪ মাস তদন্ত করেও আল-বদর, রাজাকারসহ কোন বাহিনীতে মুজাহিদের যুক্ত থাকার কোন প্রমাণ পায় নাই বলে জেরায় বলেছেন। এতে প্রমাণ হয় প্রসিকিউশনের আনিত এসব অভিযোগের সাথে তার কোন সম্পৃক্ততা নেই।

বুধবার মুজাহিদের মামলার কার্যক্রম শেষে রায়ের জন্য অপেক্ষমান (সিএভি)তে রেখে বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাথ ট্রাইব্যুনাল-২ মামলার সমাপ্তি ঘোষণা করেন। এ সময় ট্রাইব্যুনালে মুজাহিদের স্ত্রী, কন্যাসহ ছেলেরা ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন।

পরে তার আইনজীবী মুন্সি আহসান কবির বলেন, একজন তদন্ত কর্মকর্তা যখন ১৪ মাস তদন্ত করার পর জেরায় স্বীকার করেছেন যে একাত্তর সালে মুজাহিদ রাজাকার, আল-বদর বাহিনীসহ কোন বাহিনীতেই যুক্ত থাকার কোন প্রমাণ তিনি পান নাই। এতেই প্রমাণ হয় মুজাহিদ সাহেব একাত্তর সালে কোন বাহিনীর সাথে যুক্ত ছিলেন না।

তিনি বলেন, তদন্ত কর্মকর্তার এমন বক্তব্যের পর প্রসিকিউশনের সব ডকুমেন্ট দূর্বল হয়ে গেছে। এছাড়া প্রসিকিউশন তার বিরুদ্ধে যে সব ডকুমেন্ট দাখিল করেছেন তাও তারা প্রমানে ব্যর্থ হয়েছেন।

এ মামলায় সঠিক বিচারের মাধ্যমে তিনি খালাস পাবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন আসামীপক্ষের এই আইনজীবী।
 
আলী আহসান মুহাম্মাদ মুজাহিদের বিরুদ্ধে গত বছরের ২৬ আগস্ট শাহরিয়ার কবিরের সাক্ষ্য গ্রহনের মধ্য দিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। এরপর এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাকসহ মোট ১৭ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।

অপরদিকে মুজাহিদের পক্ষে প্রথম এবং একমাত্র সাফাই স্বাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন তার ছোট ছেলে আলী আহমেদ মাবরুর।

গত বছরের ২১ জুন মুজাহিদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ৩৪টি ঘটনায়  ৭টি অভিযোগে অভিযোগ গঠন করে ট্রাইব্যুনাল। এরপর ১৯ জুলাই ট্রাইব্যুনালে ২৯ পৃষ্ঠার ওপেনিং স্টেটমেন্ট (সূচনা বক্তব্য) উত্থাপন করেন চিফ প্রসিকিউটর গোলাম আরিফ টিপু, প্রসিকিউটর মোখলেসুর রহমান বাদল ও মীর ইকবাল হোসেন।


বাংলাসংবাদ২৪/সাকিল আহমেদ/এসএস
 

আরও সংবাদ