Widget by:Baiozid khan

ঢাকা Wed November 21 2018 ,

  • Advertisement

সাঘাটার গোবিন্দি এলাকায় নদী ভাঙন রোধ শুরু

Published:2013-06-05 21:53:36    

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ঐতিহীবাহী কাষ্ঠ কালী মন্দির, উত্তরজনপদের সর্ববৃহৎ রাজস্ব আদায়কারী ভরতখালী গো-হাট, ২০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ ৫ গ্রামের মানুষ যমুনা নদীর ভাঙনে হুমকীর কবলে পড়েছে।

ইতোমধ্যে গোবিন্দি, ভরতখালী, বাঁশহাটা গ্রামের আবাদি জমি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ ৭ শতাধিক পরিবার ভাঙনের কবলে পড়ে ঘরবাড়ি, ভিটেমাটি হারিয়ে স্থানান্তরিত হয়েছে। জাগ্রত কালী মন্দির ও গো-হাট থেকে মাত্র ২০০ গজ দূরেই চলছে নদী ভাঙনের ভয়াবহতা ।   

গত তিনদিন থেকে যমুনা নদী ভাঙনের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় ভাঙন আতংকিত লোকজন তাদের সহায়-সম্পদ রক্ষায় নিজেদের সাধ্যমত শ্রম ও অর্থ দিয়ে গত শনিবার সকাল থেকে স্বেচ্ছাশ্রমে ভাঙন প্রতিরোধ কাজ শুরু করেছে।

আর এ কাজে এলাকার মানুষের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে যোগ দেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া। শনিবার সকালে এমপি রাব্বী মিয়া বালির বস্তা নিক্ষেপ করে সে¦চ্ছাশ্রমের ওই কাজ উদ্বোধন করেন।

এসময় ভাঙন এলাকায় নদীভাঙন প্রতিরোধ কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক ফারুকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এক তাৎক্ষণিক জনসভায় বক্তব্য রাখেন এসকেএস ফাউন্ডেশনের নির্বাহী প্রধান রাসেল আহম্মেদ লিটন, সাঘাটা ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন সুইট, হলদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার আব্দুল মান্নান মন্ডল, পুজা উদযাপন পরিষদ ও নাগরিক কমিটির গৌতম কুমার চন্দ, অশোক কুমার সিনহা প্রমূখ।

এদিকে এমপি অ্যাডভোকেট রাব্বী বলেন, ইতিমধ্যে মন্ত্রণালয়ে ৬ কোটি ৮১ লক্ষ টাকার একটি প্রকল্প প্রস্তাবনা জমা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। পরে সৃষ্টিকর্তার নেক নজর কামনা করে এমপি নিজেই বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন।


বাংলাসংবাদ২৪/এস এম ময়নুল/বিএইচ

আরও সংবাদ