Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Mon July 16 2018 ,

ঝালকাঠিতে বসতঘর ব্যবহৃত হচ্ছে মিনি পতিতালয় হিসেবে

Published:2013-06-07 17:44:33    

ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠি শহরের পূর্ব চাঁদকাঠি এলাকার চায়ের দোকানের সাথে বসতঘর পতিতাদের নিয়ে অসামাজিক কর্মকান্ড ও দেহ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। চিহ্নিত একটি চায়ের দোকানী তার দোকান ঘরের সাথেই বসত ঘরটি মিনি পতিতালয় হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে অভিযোগে জানা গেছে।

খদ্দেরসহ এক পতিতা গ্রেফতারের একমাস পর পুনরায় উক্ত মিনি পতিতালয় খদ্দেরের আনাগোনা ও অসামাজিক কর্মকান্ডে পরিবেশ নষ্টের আশংকায় এলাকাবাসীর মধ্যে চাপা ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। কর্মকান্ড বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনের বদলে পুলিশের নিরব ভূমিকায় জনমনে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্র জানায়, সকাল থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত বাসার সামনেই পরিচালিত চায়ের দোকানে বসে চুক্তি হচ্ছে খদ্দেরদের সাথে। দরদামে বনিবনা হলে পৌর এলাকার দক্ষিন-পশ্চিম সীমান্তের আবাসন থেকে বিভিন্ন চিহ্নিত দেহ ব্যবসায়ীদের ডেকে এনে দোকানের পিছনের ঘরের মধ্যে চালানো হচ্ছে অবৈধ দেহ ব্যবসা।

আর রাস্তার পাশেই উক্ত চায়ের দোকান রুপী অবৈধ দেহ বানিজ্য কেন্দ্রের সম্মুখে চলে পতিতাদের পরিবহনকারী নির্দিষ্ট রিক্সা চালক ও দালালদের বেপরোয়া আড্ডাবাজী ও অশ্লীল-আদি রসাত্মক কথাবার্তা। ফলে স্থানীয় পরিবেশ নষ্টের পাশাপাশি প্রতিদিন এ সড়ক থেকে সরকারি মহিলা কলেজ ও বালিকা বিদ্যালয়গামী ছাত্রীদের নানা বিড়ম্বনা ও বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

নিরাপত্তা ও সম্মানহানীর আশংকা নিয়ে এপথ দিয়ে চলাচল করে এলাকার গৃহবধূরা। উক্ত চায়ের দোকান সহ বসত ঘরের প্রভাবশালী ও ক্ষমতাধর মালিকের মদদেই এ মিনি পতিতালয়ে অবৈধ দেহ ব্যনিজ্য চলায় এলাকার সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেনা বলে জানায় আশেপাশের অধিবাসীরা।

ভূক্তভূগী এলাকাবাসী আরও জানায়, থানা পুলিশের কাছে বারবার মৌখিক অভিযোগ দেওয়া সত্ত্বেও রহস্যজনক কারণে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করছে না। ঘনবসতিপূর্ণ এই এলাকায় এহেন পরিস্থিতি চলতে থাকলে যে কোন সময়ে যুবতী ও গৃহবধূদের যেকোন ধরণের সম্ভ্রমহানির ঘটনা ঘটতে পারে বলে তারা শংকিত।

প্রসঙ্গত, গত মে মাসে এক পতিতাসহ ৫ খদ্দের ঘরে অবস্থান নিলে তাদের মনোরঞ্জনের চিৎকার চেচামেচিতে অতিষ্ট হয়ে ঝালকাঠি থানা পুলিশকে খবর দিলে খদ্দেরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এসময় ঘরের মালিক সুনিল বেপারী ও পতিতা অনিতাসহ বিবস্ত্র অবস্থায় পুলিশের হাতে আটক হয়।

পরে তাদের বিরুদ্ধে ৫৪ ধারায় থানা পুলিশ একটি মামলা দিয়ে জেল হাজতে প্রেরণ করে দেন। কিন্তু জেল থেকে বেড়িয়ে বেপরোয়া সুনিল বেপারী পুনরায় নারী ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

বাংলাসংবাদ২৪/আজমীর/এসএইচএস

আরও সংবাদ