Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Fri September 21 2018 ,

নিউইয়র্কে নৈশভোজে সব সাংবাদিক একত্রিত

Published:2013-06-16 14:57:18    

নিউইয়র্ক : সম্প্রতি জ্যাকসন হাইটস এর পালকি রেস্টুরেন্টে নিউইয়র্কের সব সাংবাদিকদের নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানান সাপ্তাহিক ঠিকানার চেয়ারম্যান এম এ শাহীন। এম এম শাহীন ১৯৯৩ সালে নিউইয়র্কের প্রবাস জীবন ছেড়ে সপরিবারে বাংলাদেশে ফিরে গিয়ে রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন। বছরে একবার তিনি নিউইয়র্কে আসেন। তার মালিকানাধীন সাপ্তাহিক ঠিকানা হচ্ছে তার প্রবাসের ঠিকানা। বাংলাদেশের কুলাউড়া থেকে নির্বাচিত সাবেক এমপি এম এম শাহীন নিউইয়র্কে বাংলা সাংবাদিকতাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে শাহীনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বর্তমানে দেশের রাজনীতিতে সক্রিয়, নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রিয় মুখ এম এম শাহীনের নিমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন নিউইয়র্কের প্রেসক্লাবের সকল সদস্য-কর্মকর্তা ছাড়াও সকল মিডিয়া (প্রিন্ট এবং ইলেক্ট্রনিক)’র মালিক-সম্পাদক, বাংলাদেশের দৈনিকগুলোর প্রতিনিধি, টেলিভিশন চ্যানেলের প্রতিনিধি, বার্তা সংস্থা ও ওয়েবসাইট পত্রিকার সম্পাদক ও প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এই কর্মসূচিতে এম এ শাহীনের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় হয়।

নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের দুঃখ-কষ্ট, আনন্দ বেদনা সব কিছুরই একসময়ের সঙ্গী এম এ শাহীন। তিনি তার বক্তৃতায় বলেন, “আমি নিউইয়র্কের সাংবাদিকদের কষ্ট মোচনে যে কোনো পদক্ষেপে সবার সঙ্গে রয়েছি। এখানে সাংবাদিকদের একতাবদ্ধ হয়ে থাকার ওপর জোর দিয়ে এম এম শাহীন বলেন, নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিকে গড়ে তুলতে সংবাদপত্রগুলোই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। দেশে রাজনীতিতে যে প্রতিষ্ঠা আমি পেয়েছি তার পেছনেও রয়েছে এই সাংবাদিকতার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অবদান”। এ সমাবেশ থেকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে প্রবাসীদের জন্যে ২৫টি আসন সংরক্ষণের দাবিও উঠেছে। প্রবাসের মেধা ও অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের উন্নয়নে আরো জোরালোভাবে সম্পৃক্ত করতে নারীদের মতো প্রবাসীদের জন্যেও আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা অপরিসীম ভুমিকা পালনে সক্ষম হবে বলে প্রবাসের সাংবাদিকরা মনে করেন।

এম এম শাহীন বলেছেন, “নিউইয়র্কে বিমানের ফ্লাইট সম্প্রসারণ, সোনালী এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা, বাংলাদেশে প্রবাসী ডেস্ক ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠার দাবি সর্বপ্রথম আমিই তুলেছিলাম। প্রবাসীদের ভোটাধিকারের দাবিতে আমি শেষ পর্যন্ত সোচ্চার ছিলাম”। তিনি আরোও বলেন, “দেশের মর্যাদাহানী ঘটে এমন কোন নেতিবাচক সংবাদ এখন থেকে আর প্রকাশ করবো না”। অন্যান্য সংবাদপত্রের মালিক সম্পাদকগণ এ ঘোষণাকে স্বাগত জানান। নানাবিধ কারণে দীর্ঘদিন থেকেই নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের মধ্যে বিভক্তি বিরাজমান থাকলেও এ সমাবেশের মধ্য দিয়ে দেশের স্বার্থে ঐক্যের এক শুভ সূচনা ঘটলো বলে অনেকে মন্তব্য করেন।

এম এম শাহীন সাংবাদিকদের উদ্দেশে আরও বলেন, নিউইয়র্কে সাংবাদিকতাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার সময় এসেছে। আসুন আমরা সবাই মিলে এখানে একটি আধুনিক সাংবাদিকতার চর্চা করি।

ঠিকানার সম্পাদক মুহম্মদ ফজলুর রহমানের সঞ্চালনে এ সমাবেশে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট সাংবাদিক নিউইয়র্ক সফররত নাঈমুল ইসলাম খান ও এক সময়ে নিউইয়র্কের সাংবাদিকতায় প্রিয় মুখ মঞ্জুরুল ইসলাম। নাঈমুল ইসলাম খান নিউইয়র্কে তথা যুক্তরাষ্ট্রে বাংলা সাংবাদিকতার বিকাশে আরও বিভিন্ন দিক নিয়ে কথা বলেন। তিনি সাংবাদিকদের মধ্যে ও প্রকাশনাগুলোর মধ্যে পেশাদারিত্বের ওপর জোর দেন। মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, “এমএম শাহীনের মতো তিনি নিজেও দেশে থাকলেও নিউইয়র্কের সাংবাদিকদের পাশে রয়েছেন। তাদের যে কোনো প্রয়োজনে তিনি ভূমিকা রাখবেন বলেও কথা দেন”।

নিমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক মঞ্জুরুল ইসলাম, সাপ্তাহিক পরিচয় সম্পাদক নাজমুল আহসান, সাপ্তাহিক এখন সময় সম্পাদক কাজী শামসুল হক, সাংবাদিক মঈনুদ্দিন নাসের, এটিএন বাংলার ইউএসএর ভাইস প্রেসিডেন্ট ফখরুল আলম, সাপ্তাহিক ঠিকানার নির্বাহী সম্পাদক ও বার্তা সংস্হা এনার সম্পাদক লাবলু আনসার, নিউনেশনের প্রতিনিধি মাহমুদ খান তাসের, দেশবাংলার সম্পাদক ডাঃ সারাওয়ারুল হাসান চৌধুরী, সাপ্তাহিক বাংলাদেশের সম্পাদক ডাঃ ওয়াজেদ এ খান, সাপ্তাহিক বর্ণমালার সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা সম্পাদক আবু তাহের, সাপ্তাহিক জন্মভূমি সম্পাদক রতন তালুকদার, এটিএন বাংলার বার্তা সম্পাদক দর্পন কবীর, সাপ্তাহিক বাঙ্গালী ও দৈনিক ইত্তেফাকের বিশেষ প্রতিনিধি শহীদুল ইসলাম, সাপ্তাহিক আজকাল সম্পাদক মোহাম্মাদ মূসা, বাংলা নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের মাহমুদ মেনন ও বিশেষ প্রতিনিধি শিহাব উদ্দিন কিসলু, প্রথম আলোর নিউইয়র্ক প্রতিনিধি ইব্রাহিম চৌধুরী খোকন, আমার দেশ পত্রিকার সহযোগী সম্পাদক সঞ্জীব চৌধুরী, কবি সালেম সুলারী, সাপ্তাহিক ২০০০ প্রতিনিধি আকবর হায়দার কিরন, আই অন এর রিমন ইসলাম, এবি টিভির ফরিদ আলম, আজকালের নির্বাহী সম্পাদক মোহাম্মদ সাঈদ, এবি টিভির নাজমুল আশরাফ, খবর ডট কম এর প্রতিনিধি তৈয়বুর রহমান টনি, এবি টিভির রিজু মোহাম্মদ, ভোরের ডাক পত্রিকার চীপ রিপোর্টার তুহীন মজুমদার, কলামিস্ট ও সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন মন্জু, বৈশাখী টেলিভিশনের হাসানুজ্জামান সাকি, নিউইয়র্কের চ্যানেল আই এর রাশেদ আহমেদ, বাংলা নিউজ ২৪ ডটকমের মাহমুদ মেনন, এটিএন বাংলার কানু দত্ত, এনটিভির তাওহিদুল ইসলাম, ফটো সাংবাদিক নীহার সিদ্দিকি, মুক্তকন্ঠের শামশুল আলম, ইটিভি ইউএসএর ডাইরেক্টার দেওয়ান বজলু, সাপ্তাহিক জন্মভূমির চীফ রিপোর্টার তপন চৌধুরী, ইটিভি ইউএসএর চিফ রিপোর্টার সাখাওয়াত সেলিম, আজাদ ভিশনের আজাদ আহমেদ, বাংলা টাইমসের সরকার আলমগীর, ঠিকানার প্রতিনিধি মিসবাহ আহমেদ, মনজুরুল ইসলাম, কালের কন্ঠের আশরাফুজ্জামান উজ্বল প্রমুখ।

এছাড়াও উপস্হিত ছিলেন এমাদ চৌধুরী, শহীদুল সরকার, সাকিনা ডেনী, শামীম আহমেদ, রফিক আহমেদ ও নির্মল পাল।

সম্পাদনায় : এম. শাহজাহান, সাব-এডিটর, বাংলাসংবাদ২৪.কম।
 

আরও সংবাদ