Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Mon September 24 2018 ,

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

Published:2013-06-27 17:47:59    

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে আগামী অর্থবছরের জন্য এক হাজার ১০৬ কোটি ৩০ লক্ষ ৭ হাজার টাকার বাজেট ঘোষণা করেছেন মেয়র এম মনজুর আলম।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নগর ভবনের কেবি আব্দুস সাত্তার মিলনায়তনে কাউন্সিলর ও সাংবাদিকদেরউপস্থিতিতে মেয়র ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরের এ বাজেট ঘোষণা করেন।

এতেএবারও আয়ের মূল উৎস ধরা হয়েছে যথারীতি নগরবাসীর দেয়া কর এবং সরকারী অনুদানকে। আর উন্নয়ন খাতে সর্বোচ্চ ব্যয় বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

বিগত বছর অর্থাৎ ২০১২-২০১৩ অর্থবছরে বাজেট ঘোষণা করা হয়েছিল ৯৬০ কোটি টাকা ৫২ লাখ ৭০ হাজার টাকা। সভায় ওই অর্থবছরের ৪২৫ কোটি ৫২ লাখ ২ হাজার টাকার সংশোধিত বাজেট পেশ করা হযেছে। অর্থাৎ ওই অর্থবছরে মূল বাজেটের মাত্র ৪৪ দশমিক তিন শতাংশ বাস্তবায়িত হয়েছে।

ঘোষিত বাজেটে নিজস্ব উৎসে মোট প্রাপ্তি ধরা হয়েছে ৫০৭ কোটি ১০ লাখ সাত হাজার কোটি। এছাড়া বাকী আয় ধরা হয়েছে ত্রাণ সাহায্য, উন্নয়ন অনুদান এবং অন্যান্য উৎস থেকে।

নিজস্ব উৎসের মধ্যে সম্ভাব্য বকেয়া কর ও অভিকর বাবদ ২০২ কোটি ৫৪ লাখ ২২ হাজার টাকা, হাল কর ও অভিকর ১১৬ কোটি এক লাখ ৮৫ হাজার টাকা, অন্যান্য করদি খাত থেকে ৮১ কোটি ৯৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ফিস খাত থেকে ২৬ কোটি ৩১ লাক ৫০ হাজার টাকা, জরিমানা খাত থেকে ২০ লাখ টাকা, সম্পদ হতে অর্জিত ভাড়া ও আয় খাত হতে ৫০ কোটি ৬৫ লাখ টাকা, সুদ খাত থেকে পাঁচ কোটি টাকা, বিবিধ আয় ১২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা এবং ভর্তুকি খাত থেকে ১১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা।

এছাড়া সরকারী অনুদান প্রত্যাশা করা হয়েছে ৫৭১ কোটি টাকা, ত্রাণ সাহায্য ৪০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য উৎস খাত থেকে ২৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা আয় ধরা হয়েছে।

এদিকে চলতি অর্থবছরে বাজেটের আকার বাড়ানো হয়েছে সংশোধিত বাজেটের প্রায় আড়াই গুণ। এবার বাজেটের পরিমাণ এক হাজার ১০৬ কোটি ৩০ লাখ সাত হাজার টাকা। এ অর্থ আয়ের জন্য মোট ১২টি খাত ধরা হয়েছে।

ঘোষিত বাজেটে উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৪৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা, বেতন-ভাতা ও পারিশ্রমিক খাতে ১৪৪ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ খাতে ৩৩ কোটি ৯৫ লাখ টাকা, ভাড়া, কর ও অভিকর খাত ২ কোটি ৬৫ লাখ টাকা, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও পানি খাতে ৩৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা, কল্যাণমূলক ব্যয়  ৫ কোটি ৯১ লাখ টাকা, ডাক,তার ও দুরালাপনী খাতে ৪৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা, আতিথেয়তা ও উৎসব খাতে এক কোটি ১৭ লাখ টাকা, বীমা খাতে ২০ লাখ টাকা। ভ্রমণ ও যাতায়াত খাতে ২৫ লাখ টাকা, বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা খাতে তিন কোটি ৩৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা, মুদ্রণ ও মনিহারি খাতে দুই কোটি ৪৯ লাখ ২৫ হাজার টাকা, ফিস, বৃত্তি ও পেশাগত ব্যয় এক কোটি ১৬ লাখ টাকা, প্রশিক্ষণ ব্যয় ১৪ লাখ টাকা, বিবিধ ব্যয় দুই কোটি ৫৫ লাখ টাকা এবং ভান্ডার খাতে ৩৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

এছাড়া ত্রাণ খাত ব্যয় ধরা হয়েছে ৪০ লাখ টাকা, বকেয়া দেনা খাতে ৮৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা, স্থায়ী সম্পদ খাতে ২০১ কোটি ৭০ লাখ টাকা, অন্যান্য ব্যয় তিন কোটি ২৯ লাখ টাকা।

বাজেট বক্তব্যে মেয়র এম মনজুর আলম বলেন, ‘কর্পোরেশন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানের আয়ের প্রধান উৎস পৌরকর। এ করের অর্থ দিয়ে নগরীর বিভিন্ন সেবা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনভাতাদি নির্বাহ করতে হয়। একটি মজবুত আর্থিক বুনিয়াদ সৃষ্টি করতে না পারলে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এ দায়িত্ব পালন করা কষ্টকর হয়ে যায়।’

মেয়রের বাজেট বক্তব্য শেষে খাতওয়ারি বাজেট উপস্থাপন করেন সিটি কর্পোরেশনের অর্থ ও সংস্থাপন স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি ও কাউন্সিলর এম জহিরুল আলম দোভাষ।

বাংলাসংবাদ২৪/এনডি/আর
 

আরও সংবাদ