Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Sun August 19 2018 ,

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আর হবে না!

Published:2013-07-10 18:40:43    

ঢাকা: গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনসহ চারটি সিটি নির্বাচনের এ ধারা জাতীয় নির্বাচনে অব্যাহত থাকলে দেশ দক্ষিণপন্থী সাম্প্রদায়িকতার চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে না এবং দেশে দুর্নীতি, দুঃশাসন-জঙ্গিবাদের পুনরত্থান ঘটবে বলে মন্তব্য করেছেন বাম প্রগতিশীল জোটের নেতারা।

বুধবার বিকেলে ওয়ার্কার্স পার্টি কার্যালয়ে নির্বাচন পরবর্তী পর্যালোচনা সভায় দশটি বাম প্রগতিশীল জোটের নেতারা এসব মন্তব্য করেন।

ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অংশ নেয়া দলগুলো হলো, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, গণতন্ত্রী পার্টি, সাম্যবাদী দল, গণআজাদী লীগ, ঐক্যবদ্ধ ন্যাপ, বাসদ (বিএসডি), জনসংহতি সমিতি, কমিউনিস্ট কেন্দ্র, গণতান্ত্রিক মজদুর পার্টি, ন্যাপ।

দশ দলের এ সভায় গাজীপুর নির্বাচনে ফলাফল বিপর্যয়ের জন্য ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের অব্যাহত গণবিচ্ছিন্নতা, এককেন্দ্রীক শাসন, সাম্প্রদায়িক-মৌলবাদের সাথে আপোষ ও কর্মী এবং জনগণ থেকে সাংগঠনিক বিচ্ছিন্নতা, নেতৃত্বের অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও সমন্বয়ের অভাবকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তারা বলেন, এ বিষয়ে এই সব দলগুলোর পক্ষ থেকে সরকার ও আওয়ামী লীগকে বারবার সতর্ক করা হলেও তারা সে সবকে কানে নেননি, বরং উপেক্ষা ও অবজ্ঞা করেছেন।


নেতৃবৃন্দ বলেন, বিএনপি-জামাত জোটের ঐক্যবদ্ধতা, নীচ থেকে ওপর পর্যন্ত সুদূঢ় সমন্বয় আছে, এছাড়াও ধর্মভিত্তিক অপপ্রচার, বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয়ও করে তারা। যার কারণে শোচনীয় এ পরাজয়।

সভায় দৃঢ় আশা প্রকাশ করে নেতারা বলেন, এখনও যুদ্ধাপরাধের বিচার, জামাত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করা ও নির্বাচনকালীন সরকার সম্পর্কে কার্যকর সমঝোতায় উপনীত হওয়া গেলে এই পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক ধারাকে অব্যাহত রাখা সম্ভব।

আর এজন্য সকল অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক প্রগতিশীল দল ও শক্তিসমূহকে নিয়ে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানান তারা।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সভায় ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান মল্লিক, পলিটব্যুরো সদস্য বিমল বিশ্বাস, নুরুল হাসান, ঐক্য ন্যাপের সভাপতি পঙ্কজ ভট্টাচার্য, সহসভাপতি এসএমএ সবুর, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক নুরুর রহমান সেলিম, সভাপতিম-লীর সদস্য ডা. শহিদুল্লাহ শিকদার, ডা. সাহাদত হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা কামরুল আহসান খান পারভেজ, সাম্যবাদী দলের পলিটব্যুরো সদস্য লুৎফর রহমান, কেন্দ্রীয় নেতা হারুন চৌধুরী, গণআজাদী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. এস কে শিকদার, পার্বত্য জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় নেতা দীপায়ন খিসা, বাসদের আহ্বায়ক রেজাউর রশিদ খান, কেন্দ্রীয় নেতা বিপ্লব বিজয় ঘোষ প্রমুখ।


বাংলাসংবাদ২৪/সাজ/বিএইচ
 

আরও সংবাদ