Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Sun August 19 2018 ,

গোলাম আযমের বিরুদ্ধে সরাসরি কোন অভিযোগ নেই : ট্রাইব্যুনাল চেয়ারম্যান

Published:2013-07-15 12:23:39    

ঢাকা: মানবতা বিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতের সাবেক আমির গোলাম আযমের বিরুদ্ধে সরাসরি কোন অভিযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফজলে কবির। তিনি বলেন, ট্র্রাইব্যুনালের সকল মামলা থেকে এটা সম্পূর্ন আলাদা।  

সোমবার গোলাম আযমের রায় পড়া শুরু করার আগে চেয়ারম্যান উপস্থিত সাংবাদিক, আইনজীবী ও সুশীল সমাজকে লক্ষ্য করে তিনি এমন্তব্য করেন।

ট্রাইব্যুনাল চেয়ারম্যান বলেন, এ মামলায় মৌখিক কোন সাক্ষ্যের দাম নেই। দালিলিক প্রমাণই প্রয়োজন। আর দালিলিক সাক্ষ্যের জন্য প্রসিকিউশন বিভিন্ন পত্রিকার কাটিং পেশ করেছেন।

সকাল ১০:৪৭ মিনিটে বিচারপতিরা এজলাসে প্রবেশ করার পর ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বলেন, আজ এ মামলার একমাত্র আসামী খুবই সুপরিচিত ব্যাক্তি। বিশেষ করে ১৯৭১ সালে তিনি পূর্ব পাকিস্তানের জামায়াতের আমীর ছিলেন। তিনি শুধু আমীরই ছিলেন তাই নয় শান্তি কমিটির একজন প্রভাবশালী সদস্যও ছিলেন।

তিনি বলেন, এ মামলায় প্রসিকিউশন তার বিরুদ্ধে ৫টি অভিযোগ এনেছেন। এ মামলায় বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট আছে। তা হলো আসামী গোলাম আযমের বিরুদ্ধে এমন কোন অভিযোগ নেই যেখানে তার প্রত্যক্ষ মদদে বা তার উপস্থিতিতে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আনা হয়েছে ইংরেজিতে যাকে বলা হয় সুপিরিয়র রিসপনসিবিলিটি। বাংলায় বলা হয় উর্ধ্বতন কতৃপক্ষ দায়ী।

বিচারপতি বলেন, প্রসিকিউশন অভিযোগ করেছেন, জামায়াতের তৎকালীন সদস্যরা পাকিস্তানের বিভিন্ন সিভিলিয়ান আর্মিদেরকে সাহায্য করতেন। আর গোলাম আযমের বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো, উনি আমীর হওয়ার পরও জামায়াতের যেসব নেতারা এমন অপরাধ করেছেন, তিনি তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যাবস্থা নেননি কিংবা শাস্তি দেননি।তাই যুদ্ধের সময় দেশে যত অপরাধ সংঘটিত হবে সকল কিছু তার উপর বর্তাবে। কেননা আন্তর্জাতিক আইনে সুপিরিয়র রিসপনসিবিলিটির কারণে কোন ব্যাক্তি দোষী সাব্যস্ত করা যাবে।

প্রসিকিউশন যে ডকুমেন্ট দাখিল করেছেন তাতে আমরা সন্তুষ্ট নয়। আরো কিছু ডকুমেন্ট হলে ভালো হতো।
বিচারপতি ফজলে কবির বলেন, আমরা ডকুমেন্ট হিসেবে কোন রেফারেন্স বই পায়নি।

তিনি বলেন, এ মামলায় আমরা তেমন কোন রেফারেন্স বই সংগ্রহ করতে পারি নাই। আমরা চেষ্টা করেছি বিভিন্ন বই সংগ্রহের জন্য। আর এ জন্যই রায় ঘোষণা করতে দেরী হলো। এ মামলার রায় ঘোষণা করতে প্রায় তিন মাস সময় লেগেছে। যার কারণে আমরা সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছি বলেও জানান ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফজলে কবির।


বাংলাসংবাদ২৪/এসএ/বিএইচ

আরও সংবাদ