Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Sun August 19 2018 ,

পেটের পীড়ায় করণীয়

Published:2013-07-17 17:18:18    

স্বাস্থ্য ডেস্কঃ পেটব্যথা, ঘন ঘন পাতলা পায়খানা, বমি, অরুচি, মলের সাথে রক্ত যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা হলে সাধারণ ভাষায় পেট খারাপ হয়েছে বলে ধরা হয়। মেডিক্যাল ভাষায় এক গ্যাস্ট্রোএন্টারটাইটিস বলে। দূষিত বা অনিরাপদ পানি পানের কারণে এ সমস্যা বেশি হয়। বাংলাদেশে এ রোগের প্রকোপ এখন বেশি হচ্ছে। কারণ অনেক জায়গায় পানি দূষিত থাকে কিংবা অসচেতনতার জন্য রাস্তার খোলা পানি পান করলেও পেট খারাপ হয়।
কখন মারাত্মকঃ ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রমণ হলে অতি দ্রুত চিকিৎসার প্রয়োজন। মলের সাথে রক্ত গেলে বা মল সবুজাভ হলে সাথে জ্বর, গা ম্যাজম্যাজ ভাব থাকলে বোঝা যাবে ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রমণ হয়েছে। কখনো কখনো শুধু নরম বা তরল পায়খানাও হতে পারে। ডাক্তারের পরামর্শে রোগের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে কুইনোলোন বা সেফট্রিয়াক্সন জাতীয় ওষুধ মুখে বা ইনজেকশন আকারে দেয়া হয়। ওষুধ প্রয়োগের আগে পায়খানার কালচার পরীক্ষা করে জীবাণু নিশ্চিত হতে হয়। পায়খানায় পাস সেল ও আরবিসি বেশি পাওয়া সেলে সাথে সাথে চিকিৎসা শুরু করতে হবে।
প্রস্রাবের পরিমাণে নজর দিনঃ গ্যাস্ট্রো এন্টারটাইটিস হলে শিশু থেকে বয়স্কদের ইউরিনারি আউটপুট বা প্রস্রাব ত্যাগের পরিমাণ জানা জরুরি। প্রস্রাব কমে গেলে কিডনি বিকল হয়ে মৃতুøও হতে পারে। এ লক্ষ্যে পরীক্ষাগারে ২৪ ঘণ্টার প্রস্রাব একটি পাত্রে রেখে পরিমাণ নির্ণয় করা হয় হাসপাতালে ইনটেক আউটপুট চার্ট অর্থাৎ তরল বা খাদ্য গ্রহণ এবং ত্যাগের পরিমাণ দেখে সে অনুযায়ী ফ্লুইড রিপ্লেসের ব্যবস্থা করা হয়। আপনি বাসায়ও এক লিটারের মিনারেল ওয়াটারের বোতলে ২৪ ঘণ্টার প্রস্রাব রেখে তার পরিমাণ জানিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।
কখন ডাক্তারের কাছে যাবেনঃ বমি ও পাতলা পায়খানা ঘন ঘন হলে কিংবা নিয়ন্ত্রিত না হলে, জ্বর থাকলে, মুখ শুকিয়ে গেলে, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে গেলে তক্ষণাৎ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন।
খাবারঃ শিরাপথে বা মুখে খাবার বা রাইস স্যালাইন দেয়াই এ রোগের প্রধান চিকিৎসা। ডায়রিয়া ও বমিতে যেহেতু পটাশিয়াম শরীর থেকে বেরিয়ে যায় তাই ডাবের পানি, ফলের রস, সিদ্ধ আলু, টমেটো খাওয়া উচিত। স্বাভাবিক সব খাবারই খাওয়া যায় তবে সহজপাচ্য খাবার যেমন নরম, ভাত, মাছ খাওয়া অগ্রাধিকার দিতে হবে। তরল বেশি খেতে হবে। পানিবাহিত জীবাণু দিয়ে শুধু পেট খারাপ নয়, টাইফয়েড ফিভার ও জন্ডিসও হতে পারে। তাই এখন থেকেই সচেতন হোন।
বাংলাসংবাদ২৪/আরিফা জাহান তাজনিন/নাজ

আরও সংবাদ