Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Thu February 21 2019 ,

  • Techno Haat Free Domain Offer

দৃষ্টিপাত : প্রসঙ্গ : সাম্প্রদায়িকতা

Published:2018-05-02 21:02:36    
দৃষ্টিপাত : প্রসঙ্গ : সাম্প্রদায়িকতা

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: file_get_contents(): https:// wrapper is disabled in the server configuration by allow_url_fopen=0

Filename: singlecontent/tcontent.php

Line Number: 32

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: file_get_contents(https://api.facebook.com/method/fql.query?format=json&query=SELECT+url%2C+normalized_url%2C+share_count%2C+like_count%2C+comment_count%2C+total_count%2C+commentsbox_count%2C+comments_fbid%2C+click_count+FROM+link_stat+WHERE+url+%3D+%27http%3A%2F%2Fbanglasongbad24.com%2Fcontent%2Ftnews%2F549%27): failed to open stream: no suitable wrapper could be found

Filename: singlecontent/tcontent.php

Line Number: 32

A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Trying to get property of non-object

Filename: singlecontent/tcontent.php

Line Number: 35

 

সাম্প্রদায়িকতার দুষ্টচক্র প্রায় সব দেশেই কম-বেশি পরিলক্ষিত হয়। বাংলাদেশও ব্যতিক্রম নয়। মাঝেমধ্যে দেখা যায়, আগুন দিয়ে বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়া, মূর্তি ও বাড়িঘর ভাঙচুর, মারধর ইত্যাদি। ইসলামে সাম্প্রদায়িকতার কোনো স্থান নেই। রাসূলুল্লাহ সা: মদিনায় পৃথিবীর সর্বপ্রথম জনকল্যাণমূলক প্রজাতন্ত্র রাষ্ট্র গঠন করেছিলেন এবং এজন্য একটি সনদ (সংবিধান) প্রণয়ন করেছিলেন। তাতে সব গোত্রের নেতারা স্বাক্ষর করেছিলেন মুসলিম ও অমুসিলম নির্বিশেষে। এটিকে ‘মদিনা সনদ’ বলা হয়। এই সনদে উল্লেখ ছিল, সব গোত্রই নিজ নিজ ধর্ম নির্বিঘেœ পালন করতে পারবে এবং কেউ তাতে বাধা দিতে পারবে না। 
কুরআনের বিভিন্ন আয়াতে ধর্মীয় উদারতার সমর্থন রয়েছে। (ক) সূরা কাফিরুন, আয়াত নম্বর-৭, ‘তোমাদের জন্য তোমাদের ধর্ম এবং আমার জন্য আমার ধর্ম।’ (খ) সূরা বাকারাহ-আয়াত ২৫৭, ‘ধর্মের ব্যাপারে কোনো বলপ্রয়োগ নেই।’ (গ) সূরা ইউনুস-আয়াত ২০, ‘এবং মানবজাতি একই উম্মাহভুক্ত, অতঃপর তারা পরস্পর মতভেদ করল।’ (ঘ) সূরা আম্বিয়া, আয়াত ৯৩ ‘নিশ্চয়তই তোমাদের এই উম্মাহ একই উম্মাহ, আমিই তোমাদের প্রতিপালক। সুতরাং, তোমরা আমারই ইবাদত করো।’ (ঙ) সূরা আনআম, আয়াত নম্বর-৫৩ ‘এবং তুমি সব লোককে তাড়িয়েদিও না যারা নিজেদের প্রভুকে তার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য সকাল ও সন্ধ্যায় ডাকে। তোমার ওপর তাদের হিসাবের কোনো দায়িত্ব নেই এবং তোমাদের হিসাবের কোনো দায়িত্ব তাদের ওপর নেই। অতএব, তুমি তাহাদের বিতাড়িত করলে অবশ্যই জালেমদের অন্তর্ভুক্ত হবে।’ (চ) সূরা আম্বিয়া, আয়াত ৯৪, ‘এবং তারা তাদের মধ্যে নিজেদের (ধর্মকে) বিষয়কে টুকরা টুকরা করে ফেলল; তাদের প্রত্যেককেই আমাদের দিকে ফিরিয়ে আনা হবে।’ 
আল্লামা ইকবাল লিখেছেন, Islam is neither nationalism nor imperialism, but a league of nations which recognizes artificial boundaries and social distinctions for facility of reference only and not for restricting the social horizon of its members.
মহাকবি ইকবালের উপরিউক্ত বাণীতে ইসলামি নীতিমালার প্রতিফলন ঘটেছে। 
সাম্প্রদায়িকতার প্রভাবে যারা মানুষে মানুষে সংঘর্ষ বাধায়, ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয় এবং ভাঙচুর করে, অন্যদের উপাসনালয়, মূর্তি ইত্যাদি ধ্বংস করে, তারা ধর্মীয় এবং রাষ্ট্রীয় দৃষ্টিকোণ থেকে অপরাধী। 
কুরআনের উপরিউক্ত আয়াতগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, সব মানুষ মিলে একই মানবজাতি। সবারই সৃষ্টিকর্তা এক। নানাভাবে মতভেদ সৃষ্টি করে নানা সময়ে বিভিন্ন গোত্র, সমাজ বা ধর্মীয় ভেদাভেদ সৃষ্টি করা হয়েছে।
লেখক : অবসরপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল, সোনালী ব্যাংক স্টাফ কলেজ।

সাম্প্রদায়িকতার দুষ্টচক্র প্রায় সব দেশেই কম-বেশি পরিলক্ষিত হয়। বাংলাদেশও ব্যতিক্রম নয়। মাঝেমধ্যে দেখা যায়, আগুন দিয়ে বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়া, মূর্তি ও বাড়িঘর ভাঙচুর, মারধর ইত্যাদি। ইসলামে সাম্প্রদায়িকতার কোনো স্থান নেই। রাসূলুল্লাহ সা: মদিনায় পৃথিবীর সর্বপ্রথম জনকল্যাণমূলক প্রজাতন্ত্র রাষ্ট্র গঠন করেছিলেন এবং এজন্য একটি সনদ (সংবিধান) প্রণয়ন করেছিলেন। তাতে সব গোত্রের নেতারা স্বাক্ষর করেছিলেন মুসলিম ও অমুসিলম নির্বিশেষে। এটিকে ‘মদিনা সনদ’ বলা হয়। এই সনদে উল্লেখ ছিল, সব গোত্রই নিজ নিজ ধর্ম নির্বিঘেœ পালন করতে পারবে এবং কেউ তাতে বাধা দিতে পারবে না। 
কুরআনের বিভিন্ন আয়াতে ধর্মীয় উদারতার সমর্থন রয়েছে। (ক) সূরা কাফিরুন, আয়াত নম্বর-৭, ‘তোমাদের জন্য তোমাদের ধর্ম এবং আমার জন্য আমার ধর্ম।’ (খ) সূরা বাকারাহ-আয়াত ২৫৭, ‘ধর্মের ব্যাপারে কোনো বলপ্রয়োগ নেই।’ (গ) সূরা ইউনুস-আয়াত ২০, ‘এবং মানবজাতি একই উম্মাহভুক্ত, অতঃপর তারা পরস্পর মতভেদ করল।’ (ঘ) সূরা আম্বিয়া, আয়াত ৯৩ ‘নিশ্চয়তই তোমাদের এই উম্মাহ একই উম্মাহ, আমিই তোমাদের প্রতিপালক। সুতরাং, তোমরা আমারই ইবাদত করো।’ (ঙ) সূরা আনআম, আয়াত নম্বর-৫৩ ‘এবং তুমি সব লোককে তাড়িয়েদিও না যারা নিজেদের প্রভুকে তার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য সকাল ও সন্ধ্যায় ডাকে। তোমার ওপর তাদের হিসাবের কোনো দায়িত্ব নেই এবং তোমাদের হিসাবের কোনো দায়িত্ব তাদের ওপর নেই। অতএব, তুমি তাহাদের বিতাড়িত করলে অবশ্যই জালেমদের অন্তর্ভুক্ত হবে।’ (চ) সূরা আম্বিয়া, আয়াত ৯৪, ‘এবং তারা তাদের মধ্যে নিজেদের (ধর্মকে) বিষয়কে টুকরা টুকরা করে ফেলল; তাদের প্রত্যেককেই আমাদের দিকে ফিরিয়ে আনা হবে।’ 
আল্লামা ইকবাল লিখেছেন, Islam is neither nationalism nor imperialism, but a league of nations which recognizes artificial boundaries and social distinctions for facility of reference only and not for restricting the social horizon of its members.
মহাকবি ইকবালের উপরিউক্ত বাণীতে ইসলামি নীতিমালার প্রতিফলন ঘটেছে। 
সাম্প্রদায়িকতার প্রভাবে যারা মানুষে মানুষে সংঘর্ষ বাধায়, ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয় এবং ভাঙচুর করে, অন্যদের উপাসনালয়, মূর্তি ইত্যাদি ধ্বংস করে, তারা ধর্মীয় এবং রাষ্ট্রীয় দৃষ্টিকোণ থেকে অপরাধী। 
কুরআনের উপরিউক্ত আয়াতগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, সব মানুষ মিলে একই মানবজাতি। সবারই সৃষ্টিকর্তা এক। নানাভাবে মতভেদ সৃষ্টি করে নানা সময়ে বিভিন্ন গোত্র, সমাজ বা ধর্মীয় ভেদাভেদ সৃষ্টি করা হয়েছে।
লেখক : অবসরপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল, সোনালী ব্যাংক স্টাফ কলেজ।